আমার চোখে একাত্তর

ইরতিশাদ আহমদ 

(দ্বিতীয় পর্ব) 

এক কথা থেকে অন্য কথায় চলে এলাম, আবার ফিরে যাই ইতিহাসে।  এরই মধ্যে সত্তরের প্রথম দিকে ইয়াহিয়া খান পাঁচ দফা লিগাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার (এল, এফ, ও) ঘোষনা করেন।  এল, এফ, ও-র দফাগুলি ছিল অপমানজনক এবং সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক। যেমন, বলা হয়েছিল, নির্বাচিত গণপরিষদ কর্তৃক প্রণীত সংবিধান প্রেসিডেন্টের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত অনুমোদিত হবেনা। তবুও আওয়ামী লীগসহ বড় বড় সব রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনে অংশ নিতে রাজী হয়ে গেল। 

এই সময়ে অর্থাৎ সত্তরের জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারীতে বামপন্থীদের একটা প্রভাবশালী অংশ, নির্বাচনের রাজনীতি বর্জন করে সশস্ত্র বিপ্লবের ডাক দেয়।  এরা চীনপন্থী হিসেবে পরিচিত এবং মওলানা ভাসানীর আশীর্বাদপুষ্ট ছিল। সংখ্যায় অল্প এবং নানা ভাগে বিভক্ত হলেও এরাই প্রথম পূর্ব বাংলাকে সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ও স্বাধীন করার প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করেন।  আওয়ামী লীগ, এমন কি সোভিয়েতপন্থী সমাজতন্ত্রীরাও তখন বিচ্ছিন্নতার দাবীকে হঠকারিতা মনে করতো। যদিও পরে শোনা যায়, ষাটের দশকেই ছাত্রলীগের মধ্যে স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটা নিউক্লিয়াস গড়ে ঠেছিল। অন্যদিকে প্রখ্যাত রাজনীতিক এবং সাংবাদিক নির্মল সেন-এর মতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কিছুটাও যদি সত্যি হয়, তবে এটাও মানতে হয় যে আমলা এবং সামরিক বাহিনীর কিছু কিছু বাঙ্গালী সদস্য ষাটের দশকের শেষের দিকে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় সক্রিয় ছিলেন (নির্মল সেন, আমার জবানবন্দী, তরফদার প্রকাশনী, ২০০৬)। এরা এমন কি গোপনে সশস্ত্র কর্মসূচী নিতেও দ্বিধান্বিত ছিলেন না।  এই ধরনের কর্মসূচীর সাথে শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগতভাবে কোন সম্পৃক্ততা ছিল কিনা তা সন্দেহাতীতভাবে জানা না গেলেও দল হিসাবে আওয়ামী লীগ বা অন্যকোন রাজনৈতিক দল যে মোটেও আগরতলা টাইপের কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত ছিলনা, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।          

একাত্তরের মার্চে নিরস্ত্র জনসাধারণের উপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত হামলা এটাই প্রমান করে যে, সত্তরের প্রথমার্ধেই সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে পূর্ব বাংলাকে বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করাটা সঠিক ছিল। কিন্তু বামপন্থীরা সঠিক তত্ত্ব দিতে সক্ষম হলেও তাদের না ছিল সংগঠন, না ছিল নেতৃত্ব। আগেই বলেছি ব্যাপক জনগণের কাছে এদের গ্রহনযোগ্যতাও তেমন ছিল না। ঠিক এইসময়েই পশ্চিম বাংলায় নক্সালবাড়ীর কম্যুনিস্ট আন্দোলনের জোয়ার শুরু হয়। পূর্ব বাংলার কম্যুনিস্টরাও এর প্রভাব থেকে নিজেদেরকে মুক্ত রাখতে পারলেন না। শ্রেণী শত্রু খতমের লাইনের পক্ষে-বিপক্ষে শুরু হয়ে গেল তুমুল বিতর্ক। সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পূর্ব বাংলাকে বিচ্ছিন্ন করার কর্মসূচী সামনে রেখেও তাই বেশ কয়েকটি বামপন্থী গ্রুপ একই সাথে জনগনতান্ত্রিক বিপ্লবের কর্মসূচীকেও (দুএকটা গ্রুপ আবার নক্সালবাড়ীর অনুকরণে কৃষি বিপ্লবেরও ডাক দিতে শুরু করে) সামনে নিয়ে আসেন। এখন বুঝতে পারছি পূর্ব বাংলার বামপন্থীরা এইসময়ে এক মারাত্নক ভুলের পথে পা দিয়েছিলেন। 

শ্রেণীশত্রু খতমের রাজনীতি আর প্রধান দ্বন্দ ও মূল দ্বন্দ নিয়ে নানারকমের তাত্বিক তর্ক-বিতর্কের ফলে চীনপন্থী কম্যুনিস্টরা তিন-চার ভাগে বিভক্ত হয়ে যান।  আমি সম্পৃক্ত থাকি কাজী জাফর-হায়দার আকবার খান রণো-রাশেদ খান মেনন-এর নেতৃত্বাধীন অংশের সাথে। এরা গঠন করেন, কম্যুনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটি। অন্যান্য কম্যুনিস্ট সংগঠনের মতো এটিও ছিল গোপন। আগেই বলেছি, তখন প্রকাশ্যে কম্যুনিস্ট কার্যক্রমের ওপর বিধিনিষেধ ছিল। প্রকাশ্যে কাজী জাফর এবং হায়দার আকবর খান রণো শ্রমিক ফেডারেশনের সাথে আর রাশেদ খান মেনন কৃষক সমিতির সাথে যুক্ত ছিলেন।   

ছাত্র সংগঠনের নাম হলো, পূর্ব বাংলা বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন। মূল শ্লোগান ছিল মেহনতী জনতার সাথে একাত্ন হও।  মূল দলের শ্লোগান ছিল, শ্রেণী সংগ্রামকে ভুলিওনা আর শ্রমিক-কৃষক অস্ত্র ধর, স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা কায়েম কর। তখন চট্টগ্রামে আব্দুল্লাহ আল-নোমান, কাজী সিরাজ, সৈয়দ শফিকউদ্দিন আহমেদ, মোজাম্মেল হক প্রমূখ এই দলে নেতৃস্থানীয় ছিলেন।

এইরকম সময়ে একবার আমাদের কয়েকজনের সাথে কাজী জাফর আহমদ এক ঘরোয়া বৈঠকে মিলিত হন। কাজী জাফর এবং রাশেদ খান মেনন তখন হুলিয়া মাথায় নিয়ে পলাতক জীবন যাপন করছেন। আমরা বলতাম, আন্ডারগ্রাউন্ডে আছেন। পূর্ব বাংলার বিচ্ছিন্নতা দাবী করার অপরাধে, দেশদ্রোহিতার অভিযোগে ইয়াহিয়ার সরকার সামরিক আদালতে তাঁদেরকে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে।  এখনো মনে আছে এই বৈঠকে আমি তাঁকে হত্যার রাজনীতির যৌক্তিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম।  জাফর ভাই প্রথমে একটু হাসলেন, কি ভাবলেন জানিনা। হয়তো ভেবেছিলেন, বলে কি এই পুঁচকে ছেলেটা! কিম্বা কি জানি হয়তো মনে মনে এই ধরনের প্রশ্নের জন্য তৈরী ছিলেন বলেই হেসেছিলেন। বলেছিলেন, শুধু হত্যা করলেই চলবেনা, মানুষকে সচেতন করে, তাদের সমর্থন নিয়ে, তাদেরকে সাথে নিয়ে, তাদের মধ্যে শ্রেণী হিংসা জাগ্রত করেই শ্রেণীশত্রু খতমের কাজ হাতে নিতে হবে। উত্তরটা তখন আমার কাছে মোটামূটি গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছিল।

টংগীর শ্রমিক, প্রগতিশীল ছাত্রদের একটা অংশ, আর দেশের কিছু কিছু এলাকার কৃষকদের মধ্যে এই দলটির এবং এর নেতাদের ব্যাপক প্রভাব থাকলেও সাধারণ জনগণের ওপর এঁদের তেমন কোন প্রভাব ছিলনা।  এখনও মনে আছে আমার এক সহপাঠী বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমাকেতো মনে হয় খুবই রাজনীতিসচেতন, কিন্তু তুমি কোন দলের রাজনীতি কর? বলা দরকার, বন্ধুটি ছাত্র সংগঠনের নয়, জানতে চাচ্ছিলো মূল দলের নাম। আমি সদ্যগঠিত কম্যুনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটি-র নাম বললাম। শুনে তার ছোট্ট মন্তব্য ছিল, বাহ, এত লম্বা নাম!    

নাম লম্বা হলেও এবং গোপন সংগঠন হওয়ার কারণে মানুষের মাঝে তেমন পরিচিতি না থাকলেও এঁদের রাজনীতি তখন আমার কাছে সঠিক মনে হয়েছিল। এই দলটির তরুন এবং গতিশীল নেতৃত্ব আমাকে বিশেষ ভাবে আকৃষ্ট করেছিল। একদিকে এঁরা অর্থাৎ বামপন্থীদের স্বাধীনতাকামী গ্রুপগুলি নির্বাচন বর্জন করে সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দিতে থাকে আর অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙ্গালী বুর্জোয়ারা (উঠতি ধনিক শ্রেণী) ছয় দফার ভিত্তিতে স্বায়ত্বশাসনের দাবী নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। সত্তরের ডিসেম্বরে সারা পাকিস্তানব্যাপী সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়।

বামপন্থীদের কর্মসূচীবিহীন শ্রেণী সংগ্রামের তাত্ত্বিক রাজনীতি একদিকে যেমন তাঁদেরকে জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলে, অন্যদিকে তেমনি আওয়ামী লীগের জাতীয়তাবাদী রাজনীতি জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়।  আওয়ামী লীগ ছিল বাঙ্গালী উঠতি ধনিক শ্রেণীর প্রতিনিধিত্বকারী ও স্বার্থরক্ষাকারী, মধ্যবিত্তের সমর্থনপুষ্ট, জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত শিক্ষিত বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর  সহানুভূতি পাওয়া একটি দল। সাধার, অশিক্ষিত, নিম্নবিত্ত, মানুষের (কৃষক-শ্রমিক) ওপর সমাজের এই অংশগুলির সামাজিক প্রভাবের ফলে আওয়ামী লীগ পায় ব্যাপক জনসমর্থন। শেখ মুজিবের জনপ্রিয়তা হয় আকাশচুম্বী। ছয়দফা পায় ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা। জয় বাংলা শ্লোগানে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হতে থাকে। এর বিপরীতে জয় সর্বহারা এবং ভোটের আগে ভাত চাই শ্লোগানগুলি মানুষের মাঝে সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হয়।   

নির্বাচনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ছাড়াও মস্কোপন্থী মোজাফফর ন্যাপ এবং ডানপন্থী দলগুলোর মধ্যে জামাতে ইসলামী, নেজামে ইসলামী, মুসলিম লীগ, এবং পিডিপি (নুরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন) অংশ নেয়। তখনকার পূর্ব পাকিস্তানে ভূট্টোর পিপলস পার্টির তেমন কোন সংগঠন ছিলনা। মোজাফফর ন্যাপ ইতিপূর্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের প্রতি আহবান জানায়। এর উত্তরে শেখ মুজিব তাদেরকে সাইনবোর্ড পাল্টে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বলেন। আমার মনে হয় এই সময়ে আওয়ামী লীগ জনপ্রিয়তার বলে বলীয়ান হয়ে নিজেদের শক্তিতে ছিল প্রচন্ড রকমের আস্থাবান, এবং এর ভিত্তিতেই আওয়ামী লীগ একলা চলার নীতি গ্রহন করেছিল। অবশ্য পরবর্তীতে নির্বাচনের ফলাফল প্রমান করে যে তাদের এই আস্থা ভিত্তিহীন ছিলনা।  

কিন্তু হিসেবে গরমিলটা ছিল অন্য জায়গায়। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বিশ্বাস ছিল ভোটে জিতে তারা পাকিস্তানের জন্য ছয় দফা ভিত্তিক শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে পারবে; না পারলেও প্রয়োজন হলে ক্ষমতায় গিয়ে বিনা রক্তপাতে পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে। তাদের মাথায় এই চিন্তা কখনোই আসেনি যে, স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের প্রয়োজন হতে পারে, না চাইলেও এ যুদ্ধ বাঙ্গালীদের উপর চাপিয়ে দেয়া হতে পারে। তাই এমন কি, ঘটনা অনেকদূর গড়িয়ে যাওয়ার পরেও, শেখ মুজিব তার ঐতিহাসিক সাতই মার্চের (একাত্তরের) ভাষনে বলেছিলেন, রক্ত আরো দেবো, বলেছিলেন ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তুলতে। ত্যাগের কথা বলেছিলেন, বলেছিলেন আত্মরক্ষার কথা, কিন্তু বলেননি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে। তিনি তখনও পাকিস্তানী রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে বাঙ্গালীদের দাবীদাওয়া আদায়ের কথা ভাবছিলেন। আমি জানি বলা হবে, শেখ মুজিবের পক্ষে গেরিলা যুদ্ধের নেতা হওয়া সম্ভব ছিলনা, আর আওয়ামী লীগ কোন বিপ্লবী দলও ছিলনা। তা ছিলনা ঠিকই। এবং ছিলনা বলেই একত্তরের যুদ্ধ পুরোপুরি আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রনে ছিলনা, যুদ্ধের শুরু এবং শেষ আওয়ামী লীগের ইচ্ছায় নির্ধারিত হয়নি। শুরু করেছিল পাকিস্তানীরা, আর শেষ করেছিল ভারতীয়রা। স্বাধীনতা আমাদের, বিজয়ও আমাদের, কিন্তু স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবস কোনটির নির্ধারণে আমাদের বাঙ্গালীদের এবং নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের ভুমিকা মূখ্য ছিলনা।    

যাই হোক, আবার ফিরে যাই সত্তরের পূর্ব পাকিস্তানে। একদিকে আওয়ামী লীগের ছয়দফা ভিত্তিক স্বায়ত্বশাসনের দাবীতে নির্বাচনের প্রস্তুতি, আর মস্কোপন্থী সমাজতন্ত্রীদের পাকিস্তানের কাঠামোর মধ্যেই শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার ডাক, আর অন্যদিকে পিকিংপন্থী সমাজতন্ত্রীদের নির্বাচন বর্জন ও শ্রেণী শত্রু খতমের লাইন, এবং একইসাথে স্বাধীন পূর্ব বাংলায় জনগণতন্ত্র কায়েমের আহবান, এই ছিল তখনকার বাংলাদেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপট।  এর মধ্যে ক্ষীণ হলেও জামাতে ইসলামীর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ছিল দৃশ্যমান। মুসলিম লীগ আর নেজামে ইসলামীর রাজনৈতিক লাইনও ছিল ধর্মভিত্তিক। সাধারণ মানুষের মধ্যে এদের সমর্থকদের সংখ্যা ছিল অল্প। এদের মধ্যে জামাতে ইসলামীর কর্মীবাহিনী ছিল বেশ সুসংগঠিত। এরাই ছিল তখনকার পূর্ব বাংলায় অখন্ড পাকিস্তানপন্থী - যাদের মন-মানসিকতায় ছিল সাম্প্রদায়িকতা - যদিও তারা তখন কোণঠাসা এবং সঙ্গত কারণেই খুব একটা সরব নয়।   

এর মধ্যেই এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে যায় সত্তরের বারোই নভেম্বরে। সেদিন ভোর বেলায় এক প্রলয়ংকরী ঝড় প্রচন্ড জলোচ্ছাসের সাথে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে। প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের প্রানহানি ঘটে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে।  এই ঝড়ের পর রাজনীতিতে গূণগত পরিবর্তন সুচিত হয়।   

আর মাত্র সপ্তাহ তিনেক পরেই সাধারণ নির্বাচন। ঊনিশশো সত্তরের ডিসেম্ব্ররে, সাত তারিখে।   

 

(চলবে)

১৩ জুলাই, ২০০৮


ড. ইরতিশাদ আহমদ ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্সট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক এবং চেয়ারপার্সন। তিনি জার্নাল অব ম্যানেজমেন্ট ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর সম্পাদক।    ইমেইল : irtishad@gmail.com